ব্যাকলিংক Backlink SEO Tips 2023 হচ্ছে অফ পেজ এসইও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যাকলিংক তৈরি করা হচ্ছে একটি পাওয়ারফুল অফ পেজ এসইও। ব্যাকলিংক সম্পর্কে জানার পূর্বে অফ পেজ এসইও সম্পর্কে জেনে নিবেন। একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করতে ব্যাকলিংক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
আপনি একটি ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করে সার্চ ইঞ্জিনে টপ পজিশনে ওয়েবসাইটকে দাড় করাতে পারবেন। তবে ব্যাকলিংক করলে যেমন ওয়েবসাইট র্যাংক করে তেমনই নিয়ম ছাড়া ব্যাকলিংক করলে ওয়েবসাইট ডাউন হতে বেশি সময় লাগে না এমনকি ওয়েবসাইট চিরতরে সার্চ ইঞ্জিন থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রিয় বন্ধুরা, স্বাগতম প্রভাতিটেক.কম এর আরও একটি নতুন আর্টিকেলে। তাই এই আর্টিকেলটি অনেক গুরুত্বসহকারে শুরু থেকে শেষ অবধি পড়ুন। আশা করি ব্যাকলিংক সম্পর্কে একটি ভালো ধারনা পেয়ে যাবেন। এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে ব্যাকলিংক কি, কেন প্রয়োজন, কিভাবে করবেন, কোন ওয়েবসাইটের সাথে করবেন ইত্যাদি সকল বিষয়।
Read More – জমি ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতার করণীয়
ঠিকানা রিসোর্ট, ঠিকানা রিসোর্ট খরচ, ঠিকানা রিসোর্ট কোথায়,
মেয়েদের জন্য কোন ফেসওয়াশ সবচেয়ে ভালো
ভাওয়াল রিসোর্ট খরচ, ভাওয়াল রিসোর্ট এন্ড স্পা
![]() |
| ব্যাকলিংক কি, কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন |
ব্যাকলিংক কি
একটি ওয়েবসাইটের সাথে নিজের অথবা অন্যের ওয়েবসাইটকে লিংক করানো অর্থাৎ লিংক বিল্ডিং এর কাজই হচ্ছে ব্যাকলিংক।
বিভিন্ন উদ্দেশ্যে নতুন কোনো তথ্যের রেফারেন্স দেওয়া, সূত্র তুলে ধরা, দলিল দেওয়া, ও নতুন তথ্য সম্পর্কে ভিজিটরদেরকে একটি পোস্ট থেকে অন্য পোস্টে ডাইভার্ট করতে ওয়েবসাইট এডমিনরা আর্টিকেলের মধ্যে যেই সমস্ত লিংক তৈরি করে থাকে সেই লিংগুলোই মুলত ব্যাকলিংক।
ব্যাকলিংক প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে
- ইন্টারনাল লিংক (অভ্যন্তরীণ লিংক)
- এক্সটারনাল লিংক (বহিরাগত লিংক)
ইন্টারনাল লিংক হচ্ছে ওয়েবসাইটের ভিতরে অথাৎ নিজের ওয়েবসাইটের কোনো একটি পোস্টের সাথে অন্য পোস্ট বা মুল ওয়েবসাইট বা ক্যাটাগরি ইত্যাদির লিংক করানো। যেমন এসইও এখানে ক্লিক করলে এই ওয়েবসাইটের সকল এসইও রিলেডেট পোস্ট দেখতে পারবেন এটা ক্যাটাগরি লিংক করানো হয়েছে।
এছাড়াও এখানে ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার উপায় এটি পোস্ট লিংক করে দেওয়া হয়েছে। এগুলোই মূলত ইন্টারনাল লিংক।
অন্যদিকে এক্সটারনাল লিংক হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটকে অন্য ওয়েবসাইটের সাথে লিংক করানো। ধরুন আপনি কারো ওয়েবসাইটের রেফারেন্স দিলেন এটা হচ্ছে এক্সটারনাল লিংক।
এখন কোনো ওয়েবসাইট যদি আপনার ওয়েবসাইটের রেফারেন্স দেয় বা সাজেস্ট করে এই ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক তৈরি হলো। যেটা আপনার র্যাংক এর জন্য বেশ কার্যকরি।
তবে এখানেও কিছু কথা থেকে যায়। যে অবশ্যই ভালো ওয়েবসাইটের সাথে লিংক তৈরি করতে হবে, লিংক তৈরি করার আগে আরও অনেক কিছু চেক করে নিতে হবে। সেগুলো নিয়ে সামনে আলোচনা আসছে।
ব্যাকলিংক কেন করা হয়?
ব্যাকলিংক কি এটা সম্পর্কে জানার পর হয়তো বুঝে গেছেন কেন ব্যাকলিংক করা হয়। বিস্তারিত বলতে গেলে বিভিন্ন কারনে ব্যাকলিংক করার প্রয়োজন পড়ে যেমন- পজেটিভ সিগন্যাল তৈরি হয়, দ্রুত ইনডেক্সিং হয়, ডোমেইন অথোরিটি বৃদ্ধ হয়, ভিজিটর পাওয়া ও ওয়েবসাইট র্যাংক ইত্যাদির জন্য ব্যাকলিংক করা হয়।
পজেটিভ সিগন্যাল
আপনার ওয়েবসাইটকে যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে লিংক করবে তখন আপনার ওয়েবাসইট সার্চ ইঞ্জিনে সিগন্যাল পাবে। তখন যদি সার্চ ইঞ্জিন বিভিন্ন ভালো ভালো ওয়েবসাইট থেকে লিংকিং হয় তখন এই সিগন্যাল পজেটিভ সিগন্যাল হবে।
বিষয়টি ছোট একটি উদাহরণ দিলে সহজেই বুঝতে পারবেন। ধরুন আপনি একটি কম্পিউটার কিনতে মার্কেটে গেলেন। এক্ষেত্রে আপনি কয়েকজন দোকানদারকে জিজ্ঞাশ করলেন তারা “ফাহাদ কম্পিউটার জোন” কে দেখিয়ে দিলো। এভাবে আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞেশ করলেন সবাই ফাহাদ ভাইয়ের দোকান সাজেষ্ট করলো। এতে করে আপনি ভরসা পেলেন।
এখন আপনি ল্যাপটপ খুজতেছেন এবং ফাহাদ ভাইয়ের দোকানে গেলেন তেমনই সার্চ ইঞ্জিন ফলাফল খুজতে থাকে। যখন আপনার ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট সাজেস্ট করবে তখন গুগল আপনার ফলাফলকে টপে দেখাবে। এটাই হচ্ছে ব্যাপার।
দ্রুত ইনডেক্সিং.
ব্যাকলিংক তৈরি হলে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে আস্থা তৈরি হয়। তাই পোস্টকে দ্রুত ইনডেক্সিং ও র্যাংক করায়। ধরুন আপনি ওয়েবসাইটে পোস্ট করলেন এবং সেটি ইনডেক্স করতে রিকোয়েস্ট করলেন। এখন সেটি যদি ইনডেক্স না হয় বা হতে দেরি হয় তাহলে র্যাংক করতে সময় বেশি নেয়। তাই দ্রুত ইনডেক্সিং করতে ব্যাকলিংক ভূমিকা পালন করে।
ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি
একটি ওয়েবসাইটের পোস্ট র্যাংক করে অনেকগুলো বিষয় যাচাই বাছাই করার পর। ধরুন আপনার নতুন ওয়েবসাইটে একটি পোস্ট করলেন অনলাইন থেকে আয় বিষয়ক 2000 শব্দের। আবার অন্য একটি ভালো ডোমেইন অথরিটি ওয়েবসাইট থেকে পোস্ট করলো সেম টপিক এর উপর ২০০০ শব্দে। এখন যার ডোমেইন অথরিটি বেশি সেই পোস্টকে টপে রাখবে।
বিষয়টি সহজে বুঝুন, গুগল তার ভিজিটরদেরকে সবসময় সঠিক তথ্য দেখাতে চায়। তাই একটি ওয়েবসাইটকে যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইট বেশি বেশি সাজেস্ট করে বা লিংক করে তখন সেই সাইটের ডোমেইন অথরিটি বেড়ে যায়। এর ফলে গুগলের কাছে ঐ ওয়েবসাইটের গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যায়। ফলে দ্রুত পোস্ট র্যাংক করে।
পরবর্তীতে ডোমেইন অথরিটি যত বাড়তে থাকে তত র্যাংক পজিশন টপে যেতে থাকে। এভাবেই একটি ওয়েবসাইট রাজত্ব করে। তবে অবশ্যই কনটেন্ট ভালো মানের লিখতে হবে।
ভিজিটর বৃদ্ধি পাওয়া
যেহেতু শব্দটি ব্যাকলিংক তাই এখানে একটি লিংক থাকবে। শুরুতেই বলেছিলাম ব্যাকলিংক এর মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে ভিজিটরকে নতুন তথ্য দেওয়া। যেমন এই পোস্ট বিভিন্ন শব্দে লিংক তৈরি করেছি সেগুলোতে ক্লিক করে নতুন তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন।
ধরুন আপনার ওয়েবসাইটে একটি কন্টেন্ট আছে যেটিতে আইফোনের অজানা তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এখন অন্য একটি সাইটে/নিউজে আইফোন নিয়ে সংক্ষেপে একটি পোস্ট পাবলিশ করলো এবং ভিতরে লিংক দিয়ে বললো যে, আইফোন সম্পর্কে অজানা তথ্য জানতে ক্লিক করুন। তখন কিন্তু এখান থেকে আপনি প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবেন সাথে ব্যাকলিংকও হয়ে গেলো।
এটা তখনই পাবেন যখন আপনার ওয়েবসাইটটির বেশ গ্রহনযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা তৈরি হবে। যেমনটি আপনি মাঝে মাঝে বড় বড় ওয়েবসাইটকে লিংক করে থাকেন। আশা করি ব্যাপারটি বুঝতে পেরেছেন।
ব্যাকলিংক কত প্রকার?
ব্যাকলিংক সম্পর্কে লিখার পূর্বে অনেক তথ্য সংগ্রহ করেছি ইন্টারনেট থেকে। এর মধ্যে কিছু তথ্যে বিভিন্ন ছোটখাটো সমস্যাও পেয়েছি। তবে যে যেভাবে ভাগ করুক না কেন নতুন হিসেবে জেনে রাখেন যে, ব্যাকলিংক ২ প্রকার। আর অন্য যেই প্রকারগুলো রয়েছে সেগুলো এই দুইটির অংশ।
- ডু-ফোলো ব্যাকলিংক (Do-Follow)
- নো-ফোলো ব্যাকলিংক (No-Follow)
ডু-ফোলো ব্যাকলিংক (Do-Follow Backlink)
যত ব্যাকলিংক রয়েছে এর মধ্যে ডু-ফোলো ব্যাকলিংক এর রাজত্ব সবচেয়ে বেশি কারণ সার্চ ইঞ্জিন ডু-ফোলে ব্যাকলিংক কে বেশি গুরত্ব দিয়ে থাকে। তাই ওয়েবসাইটকে র্যাংক করানোর জন্য ডু-ফোলে ব্যাংকলিংক নেয়ার ট্রাই করবেন। ডু-ফোলো ব্যাকলিংক এর উদাহরণ হচ্ছে
<a href=https://www.provatitech.com/”>Provati Tech</a>
অর্থাৎ যেই ওয়েবসাইট আপনার ওয়েবসাইটকে লিংক করেছে তারা সম্মতি ও সমর্থন দিয়েই লিংক করেছে।
নো-ফলো ব্যাকলিংক (No-Follow Backlink)
নো-ফলো ব্যাকলিংক ও এক ধরনের লিংক তবে এটা আপনার ওয়েবসাইটকে লিংক করেছে ঠিকই কিন্তু তারা আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাপারে কোনো সম্মতি বা সমর্থন বা দায়ভার নিতে রাজি না। নো-ফোলে ব্যাকলিংক এর উদাহরণ হচ্ছে-
<a href=https://www.provatitech.com/ rel=”nofollow“>Provati Tech</a>
প্রায় ৩ বছর আগে এই ধরনের নো-ফোলে লিংক কাজে দিতো। তবে এখন নো-ফোলো লিংক ইডডেক্স করতে ভুমিকা রাখে না। তবে এর মানে এই নয় যে আপনি শুধু ডু-ফোলো লিংক তৈরি করে যাবেন।
dofollow কে যদি প্রশংসা ধরি আর nofollow কে যদি ঘৃনা ধরি তাহলে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে। সবাই তো আর একজন মানুষের প্রসংশা করবে না কেউ না কেউ তো ঘৃনা করবে। তাই ওয়েবসাইটে শুধ ডু-ফোলো লিংক তৈরি করলেই আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন ধোয়া তুলসি পাতা ভাববে না। সার্চ ইঞ্জিনকে বোকা ভাবলে নিজেই বোকা হয়ে যাবেন।
সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদম সম্পর্কে আপনার একটু ধারণা যদি থাকে তাহলে আপনার সব ধারণাই পাল্টে যাবে। তাই একটি নির্দিষ্ট (১০:১) অনুপাতে লিংক তৈরির কাজ করতে পারেন। আর উল্টাপাল্টা নিয়মে যদি র্যাংক করানোর চেষ্টা করেন তাহলে পেনাল্টি খাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্যাকলিংক তৈরি করার পূর্বে করনীয়
এইসইও করার জন্য ওয়েবসাইটে যাই যাই করেন না কেন সবকিছু স্বাভাবিক নিয়মে করবেন। অস্বাভাবিক নিয়মে করলে ফলাফল ভালো হবে না। কোনো ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নেওয়ার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ও চেক করে নিবেন। তার মধ্যে- ডোমেইন অথরিটি, স্প্যাম স্কোর ইত্যাদি বিষয়।
ডোমেইন অথরিটি চেক
যেই ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিতে চাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি চেক করে নিবেন। অর্থাৎ যার কাছ থেকে ব্যাকলিংক নিবেন তার পজিশন যদি ভালো না হয় তাহলে সে কিভাবে আপনার পজিশন ভালো করবে। তাই যেই ডোমেইনগুলো অথরিটি অনেক হাই সেগুলোর সাথে ব্যাকলিংক তৈরি করার চেষ্টা করবেন।
ডোমেইন অথরিটি চেক করার লিংক:
ওয়েবসাইট স্প্যাম স্কোর চেক
যেই ওয়েবসাইটের সাথে ব্যাকলিংক তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটের ডোমেইন স্প্যাম স্কোর চেক করে নিন। কারণ আপনার ওয়েবসাইটকে যদি স্প্যাম স্কোর বেশি রয়েছে এমন ওয়েবসাইটের সাথে লিংক করান তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের স্প্যাম স্কোর বেড়ে যাবে। তাই ব্যাকলিংক তৈরি করার পূর্বে ওয়েবসাইট স্প্যাম স্কোর কত আছে চেক করে নিবেন।
ভিজিটর চেক করে নেওয়া
যেই ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিতে চাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটের ভিজিটর কেমন রয়েছে সেটি চেক করে নিবেন। ব্যাকলিংক পাওয়ার পাশাপাশি ভিজিটর পাওয়াটাও জরুরী একটি বিষয়। তাই যেই ওয়েবসাইট বেশি গ্রহনযোগ্য সেই ওয়েবসাইট থেকে নরমালি ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এমন সাইটের সাথে লিংক করান এতে করে লিংক জুস হিসেবে কাজ করবে।
কার জন্য ব্যাকলিংক করবেন?
কার জন্য ব্যাকলিংক করবেন এই বিষয়টি জানা অনেক জরুরী। সাধারণত দুইটি বিষয়কে ব্যাকলিংক করানো হয়।
- ডোমেইনের ব্যাকলিংক (www.yourweb.com)
- পোস্ট এর ব্যাকলিংক (www.yourweb.com/seo-tutorial)
এই দুইটি বিষয় বোঝার আগে আপনাকে DA=Domain Authority এবং PA= Page Authority সম্পর্কে জানতে হবে। DA হচ্ছে একটি ডোমেইন ওয়েবসাইটে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে আর PA হচ্ছে ওয়েবসাইটের পেজ কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আশা করি বেসিক ধারণা পেয়েছেন।
ডোমেইনের ব্যাকলিংক
নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার পর ডোমেইন এর জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে। কারন ডোমেইন হচ্ছে আপনার ওয়েবাসাটের গোড়া। তাই গোড়া যত শক্তিশালী করাতে পারবেন ওয়েবাসাইট তত র্যাংক করবে।
সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করতে ডোমেইন অথরিটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে যেটা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন। তাই আপনার মূল ডোমেইন এর যত ব্যাকলিংক তৈরি করবেন DA তত বাড়তে থাকবে।
পোস্টের ব্যাকলিংক
আপনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পোস্ট হচ্ছে এক একটি ওয়েব পেজ। আর PA= Page Authority সম্পর্কে ইতিমধ্যে জেনেছেন। ধরুন- আপনি একটি পোস্ট করলেন যে “২০২৩ সালে সবচেয়ে ভালো মোবাইল” এই সম্পর্কে।
এখন ইতিমধ্যে অনেকেই এটা নিয়ে পোস্ট করেছে। তাদেরকে পেছনে ফেলতে আপনাকে PA বাড়াতে হবে। তখন আপনার “২০২৩ সালে সবচেয়ে ভালো মোবাইল” নামক পোস্টটির ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন
ব্যাকলিংক তৈরি করার অনেক টিপস রয়েছে। এগুলো দুই ধরনের হতে পারে। ফ্রি ব্যাকলিংক ও পেইড ব্যাকলিংক।
কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আপনাকে ব্যাকলিংক দিতে সবসময় প্রস্তুত কিন্তু অনেক অর্থ ব্যায় করতে হবে। অন্যদিকে কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যারা গেস্ট পোস্ট ও কমেন্ট করা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করতে দিবে।
এতক্ষণ ব্যাকলিংক সম্পর্কে যা জেনেছেন সেগুলো হচ্ছে বেসিক আইডিয়া। ব্যাকলিংক সম্পর্কে আরও অনেক স্ট্রাটেজি রয়েছে যেগুলো এক আর্টিকেল থেকে বোঝানো সম্ভব নয়। এখানে অনেক কিছু নিয়ে কথা বলতে হবে।
এটা অনেক বড় একটি সেক্টর। এসইও এর শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। এসইও এক্সপার্টরা অনেক গোপন টেকনিক ব্যবহার করে থাকে। সেগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আরও পোস্ট প্রকাশ করবো।
পরি শেষে
আশা করি ব্যাকলিংক সম্পর্কে আপনার কিছু ধারণা হয়েছে। ব্যাকলিংক সম্পর্কে জানার শেষ নেই। তবে আরও কিছু জানতে আমাদের সাথে থাকতে হবে। নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করবো এসইও এর উপর।
ব্যাকলিংক এর আলোচনার কোনো শেষ কথা হয় না। কারন এটার শুরু থাকলেও শেষ নেই। এই প্রভাটিটেক.কম সাইটে এসইও নিয়ে অনেক পোস্ট আসবে সামনে তাই শেষ বলে কিছু নাই

